সোনার ছেলেদের বরণে প্রস্তুত বাংলাদেশ

সোনার ছেলেদের বরণে প্রস্তুত বাংলাদেশ

দক্ষিণ আফ্রিকা জয় করেছেন সোনার ছেলেরা। চড়েছেন তারা ক্রিকেটের সর্বোচ্চ শৃঙ্গে। হাত দিয়ে ছুঁয়েছেন বিশ্বকাপের শিরোপা। আনন্দে ভাসিয়েছেন গোটা জাতিকে। যে শিরোপায় খেয়েছেন তারা একাধিক চুমু। এমন শিরোপায় পরশ পেতে কার না ভালো লাগে? আজ বিশ্বকাপের সেই সেরা ট্রফিটা নিয়েই বিমান থেকে হাত উঁচিয়ে দেশের মাটি স্পর্শ করবেন বাংলাদেশের যুবারা।

ছোটদের বিশ্বকাপ জেতার নায়ক আকবর আলীর হাতে থাকবে সে ট্রফি। তাদের বরণ করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত। তাতে ক্রিকেট ভক্তদের যে ভিড় জমবে তাতে সন্দেহ নেই। বাংলাদেশ সময় বিকাল প্রায় ৫টায় (৪টা ৫৫ মিনিটে) ঢাকায় পৌঁছাবেন বাংলার দামাল ছেলেরা। তরুণ এই ক্রিকেটারদের বরণ করতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।

ক্লাব সংগঠক, ক্রিকেট ফ্যান ক্লাবও বাকি থাকছে না। এই যুবাদের বরণ করতে তারা ফুল নিয়ে ছুটবেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর পানে। সাধারণত ক্রিকেটারদের সাফল্যে বিমান বন্দরেই ফুলের শুভেচ্ছায় বরণ করা হয়। কিন্তু এবার একটু ব্যতিক্রমী হওয়ার কথা শোনা যায়। স্পেশাল কেক, স্পেশাল ফুলের মালা তো থাকছেই। একই সঙ্গে থাকবে মিষ্টির ছড়াছড়ি। স্বয়ং বাংলাদেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ বস নাজমুল হাসান পাপন এমপিসহ উপস্থিত থাকবেন বিসিবির প্রায় সব পরিচালক।

থাকার কথা যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেল এমপি। বিশ্বকাপ জয়ী এই ক্রিকেটারদের বরণ করতে গিয়ে হয়তো শোনা যেতে পারে নতুন কিছু ঘোষণা।

ইতিমধ্যে ক্রিকেটারদের সাফল্য নিয়ে স্বয়ং জননেত্রী ও ক্রীড়াবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। এই তরুণ ক্রিকেটারদের সাফল্যের পর তাদের অবদান স্বরূপ নানান উপহারের চিন্তা-ভাবনাও রয়েছে। তরুণ এই ক্রিকেটারদের যেন লম্বা সময় ধরে রাখা যায় সে নিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে ব্যাপক পরিকল্পনা। ইতিমধ্যে বিসিবি প্রধান জানিয়ে দিয়েছেন তাদের ধরে রাখার পরিকল্পনার কথা। হয়তো সেটা আগামী কিছুদিনের মধ্যে নিতে যাচ্ছে বিসিবি।

কারণ, এর আগে অনেক ক্রিকেটার রয়েছেন যারা অর্থাভাবে বাইশ গজের লড়াই থেকে হারিয়ে গেছেন। এবার থেকে যেন আর হারিয়ে না যান সে দিকে মনোনিবেশ দেওয়ার ওপর জোর দিতে যাচ্ছে বিসিবি।

এমনটাই যদি করা হয়, তাহলে বাংলাদেশের ক্রিকেট হয়তো আরেকটি বিশ্বকাপের স্বপ্ন দেখতে পারে। তেমনটাই শিরোপা জয়ী অধিনায়ক আকবর আলী মিডিয়ায় জানিয়েছেন।

তার মতে, একসঙ্গে একটি দল লম্বা সময় থেকেছিল বলেই অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট জেতা সম্ভব হয়েছে। এ দলটিকে যদি আরও লম্বা সময় নার্সিং করা যায় তাহলে বড়দের বিশ্বকাপ জেতাও অসম্ভব নয় বলে জানান।