নির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

নির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচন ঘিরে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বলছেন-নির্বাচনে নিরাপত্তা জোরদার করতে তাদের পক্ষ থেকে যত ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার সব নেওয়া হয়েছে।

সরেজমিন ঘুরে ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নগরীর প্রতিটি এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় সাদা পোশাকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা তৎপর। নগরীতে ৭৫টি জায়গায় বসানো হয়েছে তল্লাশিচৌকি।

২৭টি ওয়ার্ডে ২৭ জন ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছেন। পাশাপাশি ভোটের মাঠে কাজ করছেন তিন হাজার ৬০৮ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। র‌্যাব, পুলিশ এবং বিজিবির পৃথক পৃথক বিশেষ টিম নগরীর প্রতিটি অলিগলি মনিটরিং করছে।

এদিকে নির্বাচনের কয়েক ঘণ্টা আগে ভোট কিনতে যাওয়ার অভিযোগে টাকাসহ এক যুবককে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ড পাথুড়িয়াপাড়া থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক যুবকের নাম মো. ফারুক (৩১)। তিনি কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার গোলাবাড়ী এলাকার ছাদেক মিয়ার ছেলে। কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সোহান সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তার কাছ থেকে প্রায় ২০০ ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি ও নগদ ৫৮ হাজার টাকা পাওয়া গেছে। তাকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে সরঞ্জাম বুঝে নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় ভোটকেন্দ্রে চলে গেছেন।

নগরবাসীর বহুল প্রত্যাশিত এ ভোটে প্রচারের শুরুতে উৎসবমুখর পরিবেশন ছিল। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখন পর্যন্ত ঘটেনি বড় সংঘর্ষের কোনো ঘটনাও। তবে প্রার্থীদের পরস্পরবিরোধী কথার লড়াইয়ে পরিবেশ অনেকটা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

এরই মাঝে স্থানীয় সংসদ-সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের এলাকায় অবস্থান প্রার্থী, ভোটার ও সাধারণ মানুষদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা আরও বাড়িয়েছে।

ভোটাররা বলছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে তারা নগরপিতা নির্বাচন করতে চান। এক্ষেত্রে তাদের দাবি, বহিরাগত, কালোটাকা এবং ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

আলোচিত ৩ হত্যা মামলার ৪ আসামি কাউন্সিলর প্রার্থী : কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আলোচিত ৩ হত্যা মামলার ৪ আসামি কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন।