দাপুটে এক জয়ের সিরিজ জয়ের গল্প

দাপুটে এক জয়ের সিরিজ জয়ের গল্প

ক্রিস এমপোফুর শর্ট বলটায় দুর্দান্ত এক পুল হাঁকালেন সৌম্য সরকার। অনায়াসেই মিড উইকেটের উপর দিয়ে সীমানা পেরোলে বলটি। বাংলাদেশও ছুঁয়ে ফেলল জিম্বাবুয়ের করা ১১৯ রান। পরে সৌম্যর ব্যাট থেকেই জয় সূচক রানটা যখন এল তখনো বাকি ২৫ বল, হাতে ৯ উইকেট। দাপুটে এক জয়েই সিরিজ শেষ তাতে।

এই শেষটাকে পুরো সিরিজের প্রতীকী হিসেবেই ধরা যায়। একমাত্র টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে জয়। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ৩-০ তে নিজেদের করা। এবার দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজও নিজেদের পক্ষে ২-০ ব্যবধানে।

পুরো সিরিজের কথা ধরলে তাই হিসেবে দাঁড়াচ্ছে- বাংলাদেশ ৬ : ০ জিম্বাবুয়ে। নিজেদের ইতিহাসে কোনো সিরিজে তিন সংস্করণেই এই প্রথমবার জয় টাইগারদের।

এমনটা আসলে অনুমিতই ছিল। মজা করে তো অনেকেই বলছিলেন, ভারত ও পাকিস্তান সফরে দুঃসময়ে বন্দী থাকা বাংলাদেশের জন্য বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিতেই এসেছিল জিম্বাবুয়ে। সিলেটে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টাইগারদের একটু খানি ভয় ধরানো ছাড়া এই সিরিজে যারা কিছুই করতে পারেনি।

বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিং পেয়েছিল জিম্বাবুয়ে। কিন্তু আগে ব্যাট করে ১২০ রানের বেশি লক্ষ্য দিতে পারেনি। যে ছোট্ট লক্ষ্যটা সহজেই পেরিয়েছে স্বাগতিকেরা। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা লিটন দাস আরেকটি ফিফটি পেয়েছেন এদিন। ৪৫ বলে ৮ চারে খেলেছেন অপরাজিত ৬০ রানের ইনিংস।

তামিম ইকবালের জায়গা খেলতে নামা মোহাম্মদ নাঈম শেখ ৫ চারে ৩৪ বলে ৩৩ রান করেন। আগের ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় সৌম্য সরকার ১৬ বলে অপরাজিত ছিলেন ২০ রানে।

এর আগে জিম্বাবুয়ের হয়ে ব্রেন্ডন টেইলর একপ্রান্তে লড়াই করেছেন। কিন্তু ক্রেইগ আরভিন ছাড়া অন্যদের কাছ থেকে তেমন সহায়তা পাননি। ফলে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো সংগ্রহও গড়া হয়নি দলটির।

৭ উইকেটে ১১৯ রান করে জিম্বাবুয়ের। টেইলর সর্বোচ্চ অপরাজিত ৫৯ রান করেছেন। আরভিনের ব্যাট থেকে আসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান।

টাইগারদের পক্ষে সর্বাধিক ২টি করে উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান ও আল-আমিন হোসেন। ১টি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদী হাসান ও আফিফ হোসেন।

ম্যাচসেরা হয়েছেন লিটন দাস। সিরিজ সেরাও হয়েছেন এই ওপেনার।